মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা নয়, ক্ষমতার কাঠামো: ‘অ্যালোকেশন অফ বিজনেস’ ভাঙাই কি প্রকৃত প্রশাসনিক সংস্কার?

প্রশাসনিক সংস্কার নিয়ে আলোচনায় এখন সবচেয়ে জনপ্রিয় সমাধান—মন্ত্রণালয় একীভূত করা। যুক্তিটা সরল: মন্ত্রণালয় কমলে ব্যয় কমবে, আমলাতন্ত্র সঙ্কুচিত হবে, সিদ্ধান্ত হবে দ্রুত। কিন্তু এই ধারণা সমস্যার গভীরে যায় না। এটি সিস্টেমিক জটিলতার বদলে কেবল দৃশ্যমান কাঠামো নিয়ে কাজ করে। মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা কমানো

শ্রম অধিকার, মানবাধিকার ও জিএসপি

২০২৪ এর জানুয়ারিতে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের নতুন একটি জিএসপি আইন প্রবর্তিত হতে যাচ্ছে।  এই আইনটি ২০২১ এর সেপ্টেম্বারে প্রস্তাব আকারে পেশ করা হয়েছে এবং ২০২২ এ আইনটি ইউরোপিইয়ান ইউনিয়নের পারলামেন্ট পাশ করবে (প্রায় নিশ্চিত)। যার ফলে আইনটি ২০২৪ এর জানুয়ারি থেকে ২০৩৪ পর্যন্ত 

Check post

একটা ভিডিও দেখলাম।৭/৮ জন পুলিশ লকডাউনে একজন মধ্যবয়সী ডাক্তার ভদ্রমহিলার গাড়ি আটকেছে। তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন, ডাক্তারদের হেনস্থা না করার জন্য পুলিশের সাথে বিতর্ক করছেন।পুরো ভিডিওটা দেখে আমি আবুল হয়ে গেছি।কারণ আমি বুঝতে পারতেছি না এখানে কাকে সঠিক বলবো, কাকে ভুল বলব-