মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা নয়, ক্ষমতার কাঠামো: ‘অ্যালোকেশন অফ বিজনেস’ ভাঙাই কি প্রকৃত প্রশাসনিক সংস্কার?

প্রশাসনিক সংস্কার নিয়ে আলোচনায় এখন সবচেয়ে জনপ্রিয় সমাধান—মন্ত্রণালয় একীভূত করা। যুক্তিটা সরল: মন্ত্রণালয় কমলে ব্যয় কমবে, আমলাতন্ত্র সঙ্কুচিত হবে, সিদ্ধান্ত হবে দ্রুত। কিন্তু এই ধারণা সমস্যার গভীরে যায় না। এটি সিস্টেমিক জটিলতার বদলে কেবল দৃশ্যমান কাঠামো নিয়ে কাজ করে। মন্ত্রণালয়ের

Read More →

ফ্যাসিস্টের ফাইনাল যুক্তি ভায়োলেন্সের

ফ্যাসিস্টের সেকেন্ড লাস্ট  যুক্তি হইলো, আমার উপরে ভায়োলেন্স করা হয়েছিল। তাই আমি ভায়োলেন্স করি। লাস্ট যুক্তি হলো, আমি যদি ক্ষমতা ছাড়ি। আমার উপরে ভায়োলেন্স করা হবে, তাই আমি ভায়োলেন্স করে ক্ষমতা ধরে রাখি। ইউ সি, ফ্যাসিস্টের শেষ দুইটা যুক্তিই আপনি

আমি দেশপ্রেম, চেতনা, অঙ্গীকার, শপথ এই কথাগুলো কে ভয় পাই

বাংলাদেশ আর্মি সবসময় ভাড়া খেটেছে- ইউএন মিশনে গিয়ে জাতিসংঘের ভাড়া খেটেছে, ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রশাসনের জন্য ভাড়া খেটেছে,

আমি ১০০ টাকা বাজি ধরে বলতে পারি, আওয়ামী দের আর্গুমেন্টটা কি হবে

আমি ১০০ টাকা বাজি ধরে বলতে পারি, আওয়ামী দের আর্গুমেন্টটা  কি হবে। সূরিয়াল কমেডি হইলো আমার এই স্ট্যাটাস টাই  হয়তো তারা কপি করে শেয়ার

আমার মাঝে মাঝে মনে হয়, গোল্ড ফিশের মেমোরিও বোধ হয় এই জাতির চেয়ে ভালো।

বাংলাদেশের আর্থিক অঙ্গনে ২০২০ এ যে ঘটনা গুলো ঘটছে, তার সাথে ১০ বছর আগে, ২০০৯ সালের ঘটে যাওয়া ঘটনা গুলোর অদ্ভুত মিল আছে। ২০০৯

আমি ডোনাল্ড ট্রাম্পের টুইটার একাউন্ট বন্ধের বিপক্ষে

আমি ডোনাল্ড ট্রাম্পের টুইটার একাউন্ট বন্ধের বিপক্ষে। এবং আমি তাদের সাথে একমত যারা বলে, ডনাল্ড ট্রাম্পের টুইটার একাউন্ট বন্ধের পেছনে আছে লিবারেল হিপোক্রেসি। আমি

রিজার্ভ থেকে সোনালি ব্যাংকের মাধ্যমে ৬৫০ মিলিয়ন ডলার পায়রা পোর্ট অথরিটিকে দেওয়া হবে

রিজার্ভ থেকে সোনালি ব্যাংকের মাধ্যমে  ৬৫০ মিলিয়ন ডলার  পায়রা পোর্ট অথরিটিকে  দেওয়া হবে- যারা ওই অর্থ , পায়রা বন্দর প্রজেক্টে ব্যায় করবে। এরপরে কি

পদ্মা ব্রিজের অপারচুনিটি কষ্ট হচ্ছে, ৩ থেকে ৬ ঘন্টা।

যাওয়ার আগে আমার শেষ পয়েন্ট হচ্ছে, বাংলাদেশের তেল তেলে ইকন্মিস্টরা যারা দাবী করছেন,পদ্মা ব্রিজের কারনে দেশের ১%, ২% প্রবৃদ্ধি হবে তারা কখনো অপারচুনিটি কস্টের

পদ্মা সেতুর ফলে, ১%, ২% জিডিপি বৃদ্ধি পাবার আশাবাদ ভেজাস্বপ্ন

পদ্মা সেতুর ফলে, ১%, ২% জিডিপি বৃদ্ধি পাবে আশাবাদকে ভেজাস্বপ্ন বলার কারনে- আমার অর্থনীতিবিদ বন্ধুরা বেশ কিছু ভালো রেস্পন্স দিয়েছেন। সেই গুলো একটা প্রত্যুত্তর

যে কোন এলাকায় শিল্পায়ন হবে কি হবেনা। সেইটা রাষ্ট্রের কম্পিটিটিভ এডভান্টেজ থিওরির মত এলাকা ভিত্তিক কম্পিটিটিভ এডভান্টেজ থিয়োরি প্রযোজ্য।

শিল্পায়ন আরগুমেন্ট টা খুব ইন্টেরেস্টিং, উনারা বলতে চাচ্ছেন পদ্মা সেতু হলে সেখানে ম্যান, ম্যাটেরিয়াল এবং মেশিনারি এবং উৎপাদিত পন্য ট্রান্সপোর্ট সহজ হবে, ফলে, শিল্পায়ন

আমাদের জনগণ এবং রাষ্ট্রকে আর কত নামাবে এই অবৈধ সরকার।

সামরিক বাহিনীর আর্মড ফোরসেস ডে পার্টিতে , বিশ্বের যে আটটি দেশ  লজ্জা জনক ভাবে উপস্থিত ছিল, বাংলাদেশ তার মধ্যে একটি। বিশ্বের জন্যে লজ্জা এই

হেজেমনি আপনাকে ডিলিজটিমাইজ করার ক্ষমতা রাখে

হেজেমনিক পাওয়ারের সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে, হেজেমনি আপনাকে ডিলিজটিমাইজ করার ক্ষমতা রাখে।  এবং নিজের অপকর্মকে নরমালাইজ করতে পারে। বাংলাদেশে সরকার পক্ষের যে হেজেমনিক পাওয়ার,

পত্রিকা গুলো এখন সরাসরি ফার্স্ট হ্যান্ড রেফারেন্স ছাড়া সরকারের জন্যে সেনসিটিভ কিছু ছাপাতে চায় না

মুশতাক আহমেদ কে যে নির্যাতন করা হয়েছিল, কিশোরের বয়ানে শোনার আগে কোন নিউজপেপারে ছাপা হয় নাই।

কিশোর এবং মুশতাকের উপরে যে ভয়াবহ নির্যাতন করা হয়েছে, তাকে প্রথম আলো কিভাবে হিউম্যানাইজ করেছে সেইটাকে সাংবাদিকতার ইতিহাসে একটা আর্ট পিস হিসেবে বাধিয়ে রাখা উচিত।

কিশোর এবং মুশতাকের উপরে যে ভয়াবহ নির্যাতন করা হয়েছে, তাকে প্রথম আলো কিভাবে হিউম্যানাইজ করেছে সেইটাকে

আসুন রং চিনি। সাদা কালো এবং গ্রে কালার ।

গতকাল রাতে আমার ভারতীয় ইন্টেলেকচুয়াল বন্ধু গরগের ওয়ালে গিয়েছিলাম, ওদের দেশে কি অবস্থা তা জানতে। গরগ চ্যাটারজি কোলকাতায় খুব একটা প্রভাবশালী না হলেও, বাংলাদেশ

বাংলাদেশ চিনের খুব ঘনিষ্ঠ হয়ে গ্যাছে!

বাংলাদেশ চিনের খুব ঘনিষ্ঠ হয়ে গ্যাছে, এবং ভারতকে ছেড়ে বাংলাদেশ চিনের দিকে ঝুঁকে পড়েছে।  চীন বাংলাদেশে ১০ বিলিয়ন ডলার, ২০ বিলিয়ন ডলার ইনভেস্টমেন্ট করছে

আমার তিনটা টেক এওয়ে

আমার তিনটা টেক এওয়ে ১। গল্প বললে এই  ভাবে  বলতে হয়। সিম্পলি ব্রিলিয়ানট স্টোরিটেলিং। বাংলাদেশে প্রকৃত যা ঘটছে এই গুলো রিয়াল টাইম বললে মাফিয়া

শেখ হাসিনার সাম্রাজ্যে বাংলাদেশের রাষ্ট্রযন্ত্র একটা রাষ্ট্র রাষ্ট্র এক্টিং করে যাচ্ছে

প্রথম আলো বেকিং পাওয়া এলিটরা,   রাষ্ট্রপতির কাছে নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ চেয়ে যে পত্র লিখেছেন সেটা নিয়ে কিছু কথা লিখেছিলাম। —– শেখ হাসিনার সাম্রাজ্যে

বাঙালি জাতীয়তাবাদ, কালচারাল ফ্যাসিজম, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে শত্রু নিধন

ইদানীং একটা আলোচনা তৈরি হয়েছে বাঙালি জাতীয়তাবাদ, কালচারাল ফ্যাসিজম, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে শত্রু নিধন এই বয়ান গুলো সিপিবি এবং বামপন্থা এবং এমন কি প্রথম

আলজাজিরার ডকুমেন্টারি ও আমাদের সাংবাদিকতা

গত পরশু দিন বিবিসিতে একজন উইঘুর নারীর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ইনভেস্টিগেটিভ  রিপোর্ট হয়েছিল- এই নারী একটি  চাইনিজ ক্যাম্পের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে বলেন সেখানে একটি

চমস্কির “সম্মতি উৎপাদন” এর আলোকে আলজাজিরার ইনভেস্টিগেটিভ রিপোর্ট

চমস্কির প্রধান যে কন্ট্রিবিউশান  এবং এডওয়ার্ড হারমানের  সাথে তার বিখ্যাত বই, Manufacturing Consent: The Political Economy of the Mass Media বইয়ে অনেক গুলো চমৎকার

নৈতিকতাবাদীদের আমি সন্দেহের চোখে দেখি!

নৈতিকতাবাদির চিন্তা পদ্ধতি দিনে দিনে আমার কাছে সমস্যাপূর্ণ মনে হচ্ছে। এবং তাদেরকে দিন দিন আমি সন্দেহের চোখে দেখি। নৈতিকতা বাদি কারা ? নৈতিকতাবাদিরা হচ্ছে

Imtiaz Mirza ভাইয়ের  শেয়ার করা এই ছবিটা আমি প্রব্লেমেটিক মনে করি। এইটা একটা সোশালিস্ট ট্রোপ। আইডেন্টিটি প্রশ্নকে রাজনীতিতে  ইরেলেভেন্ট বানানোর জন্যে বিগত কয়েক দশকে

আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান।

একটা ভিডিও দেখলাম। ৭/৮  জন পুলিশ লকডাউনে একজন মধ্যবয়সী ডাক্তার ভদ্রমহিলার গাড়ি আটকেছে। তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন, ডাক্তারদের হেনস্থা না করার জন্য পুলিশের সাথে

আমাকে কি কেউ একটু রাষ্ট্র নামের লোকটার একটা ছবি দিবেন?

বিএনপি’র আমলে আমি বাংলাদেশে তারেক রহমান নামে একজন লোককে চিনতাম। যে দুর্নীতি করে, যে হাওয়া ভবন চালায়, যাকে বাংলাদেশের সকল অন্যায়ের পেছনে দায়ী ব্যক্তি

লেটস সি পিনাকীদার এক নাম্বার আর্গুমেন্টের প্রব্লেম কি ?

লেটস সি পিনাকীদার এক নাম্বার আর্গুমেন্টের প্রব্লেম কি ? উনি কাকে কাকে শত্রু হিসবে দেখতেছেন?উনার কাছে প্রথম আলোর সাংবাদিক মিজানুর রহমান শত্রু, গোলাম সারোয়ার

পিনাকী ভট্টাচার্য এবং জনাব ফরহাদ মজহার উভয়ের কিছু আর্গুমেন্ট ঠিক, কিছু ভুল ।

আমার মতে, Pinaki Bhattacharya – পিনাকী ভট্টাচার্য এবং জনাব ফরহাদ মজহার উভয়ের কিছু আর্গুমেন্ট ঠিক, কিছু ভুল ।প্রথমে কার কোন আর্গুমেন্ট গুলো ঠিক তা

আল্লামা শফিকে নিয়ে শ্রদ্ধেয় ফরহাদ মজহারের মুল্যায়ন নিয়ে কিছু কথা।

হেফাজতে ইসলামির আমির শাহ আহমদ শফীর আল্লামা শফীর মৃত্যুকে হত্যা বলে অভিহিত করে প্রাতিষ্ঠানিক ঘৃণাজিবিরা তার হত্যার বিচার চাইতেছেন, সেকুলার ঘরানার মাফিয়া পরিচালিত মিডিয়াতে