কমপ্লিমেন্টারি মেজার

by জিয়া হাসান বাংলাদেশ Article 4.1:  Complementary Measures ট্রেড ন্যাশনাল সিকিউরিটি আমেরিকার border measure এবং national security of the United States এ কোন রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যে সকল পদক্ষেপ নেবে বাংলাদেশকে সেই আইনের সাথে সাথে তাল মিলিয়ে নিজস্ব আইন অনুসারে , শত্রু রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আমেরিকার পক্ষে একই

কমপ্লিমেন্টারি মেজার

বাংলাদেশ Article 4.1:  Complementary Measures ট্রেড ন্যাশনাল সিকিউরিটি আমেরিকার border measure এবং national security of the United States এ কোন রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যে সকল পদক্ষেপ নেবে বাংলাদেশকে সেই আইনের সাথে সাথে তাল মিলিয়ে নিজস্ব আইন অনুসারে , শত্রু রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আমেরিকার পক্ষে

ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট নিয়ে কি বলা আছে

বাংলাদেশের ডিলের সব চেয়ে ভয়াবহ বিষয় হচ্ছে, ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্টের উপরে নিষেধাজ্ঞা। ইউএস ডিলে নন মার্কেট কাউন্ট্রি বলতে মুলত চায়নাকে নির্দেশ করা হয়। ফলে চায়নার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ যদি কোন এগ্রিমেন্ট করতে যায় , ধরুন বাংলাদেশ চায়নার সাথে বিশ্বের সব চেয়ে বৃহৎ এগ্রিমেন্ট

বিএনপির আপার হাউজে পিআর মেনে নেওয়া উচিত, কিন্তু, কমিশানের দুই নাম্বারিটি মার্ক করে রাখেন।

ইন কেস বিএনপি পিআর আপার হাউজ না করতে চায় , সেইটা তাদের না করার সুযোগ টা কে করে দিয়েছে, এবং সেই সুযোগ করা নিয়ে যে সাংবিধানিক সংকট তৈরি হয়েছে, সেইটা এখানে মার্ক করে যাচ্ছি। এইটা আপার হাউজ নিয়ে, জুলাই চার্টারের বক্তব্য জুলাই

মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা নয়, ক্ষমতার কাঠামো: ‘অ্যালোকেশন অফ বিজনেস’ ভাঙাই কি প্রকৃত প্রশাসনিক সংস্কার?

প্রশাসনিক সংস্কার নিয়ে আলোচনায় এখন সবচেয়ে জনপ্রিয় সমাধান—মন্ত্রণালয় একীভূত করা। যুক্তিটা সরল: মন্ত্রণালয় কমলে ব্যয় কমবে, আমলাতন্ত্র সঙ্কুচিত হবে, সিদ্ধান্ত হবে দ্রুত। কিন্তু এই ধারণা সমস্যার গভীরে যায় না। এটি সিস্টেমিক জটিলতার বদলে কেবল দৃশ্যমান কাঠামো নিয়ে কাজ করে। মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা কমানো

শ্রম অধিকার, মানবাধিকার ও জিএসপি

২০২৪ এর জানুয়ারিতে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের নতুন একটি জিএসপি আইন প্রবর্তিত হতে যাচ্ছে।  এই আইনটি ২০২১ এর সেপ্টেম্বারে প্রস্তাব আকারে পেশ করা হয়েছে এবং ২০২২ এ আইনটি ইউরোপিইয়ান ইউনিয়নের পারলামেন্ট পাশ করবে (প্রায় নিশ্চিত)। যার ফলে আইনটি ২০২৪ এর জানুয়ারি থেকে ২০৩৪ পর্যন্ত 

এই মুহূর্তে বাংলাদেশের সামর্থ্য নাই ভারতকে অক্সিজেন দিয়ে সাহায্য করার

কিছু মনে করবেন না।আসলেই এই মুহূর্তে বাংলাদেশের সামর্থ্য নাই ভারতকে অক্সিজেন দিয়ে সাহায্য করার। বড় কোন ধরনের মেডিকেল সাহায্য দেওয়ার ক্যাপাসিটি ও বাংলাদেশের এই মুহূর্তে নাই।সোশ্যাল মিডিয়াতে আমি আপনি যেসব কথা বলি, তাতে আসলে সরকারের কিছুই ছিড়ে না।ফলে ভারতকে সাহায্য দেওয়া হবে

ভারতের চলমান অক্সিজেন সংকট এবং আমাদের বাস্তবতা

ভারতের কভিড বিপর্যয়ে , অক্সিজেন সাপ্লাই করা নিয়ে যে বিতর্ক তা খুব ভালো রকম মিস ইনফরমড। বাস্তবতা হলো, ভারতে সাপ্লাই দেওয়া তো দুরের কথা স্বাভাবিক সময়ে বাংলাদেশে ২০% অক্সিজেন ভারত থেকে আমদানি করা হয়।এবং চান্সেস আর ভারত এই টুকু বন্ধ করে দিবে।একই

1 2 3 9