কমপ্লিমেন্টারি মেজার

by জিয়া হাসান বাংলাদেশ Article 4.1:  Complementary Measures ট্রেড ন্যাশনাল সিকিউরিটি আমেরিকার border measure এবং national security of the United States এ কোন রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যে সকল পদক্ষেপ নেবে বাংলাদেশকে সেই আইনের সাথে সাথে তাল মিলিয়ে নিজস্ব আইন অনুসারে , শত্রু রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আমেরিকার পক্ষে একই

কমপ্লিমেন্টারি মেজার

বাংলাদেশ Article 4.1:  Complementary Measures ট্রেড ন্যাশনাল সিকিউরিটি আমেরিকার border measure এবং national security of the United States এ কোন রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যে সকল পদক্ষেপ নেবে বাংলাদেশকে সেই আইনের সাথে সাথে তাল মিলিয়ে নিজস্ব আইন অনুসারে , শত্রু রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আমেরিকার পক্ষে

ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট নিয়ে কি বলা আছে

বাংলাদেশের ডিলের সব চেয়ে ভয়াবহ বিষয় হচ্ছে, ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্টের উপরে নিষেধাজ্ঞা। ইউএস ডিলে নন মার্কেট কাউন্ট্রি বলতে মুলত চায়নাকে নির্দেশ করা হয়। ফলে চায়নার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ যদি কোন এগ্রিমেন্ট করতে যায় , ধরুন বাংলাদেশ চায়নার সাথে বিশ্বের সব চেয়ে বৃহৎ এগ্রিমেন্ট

রিজার্ভ থেকে সোনালি ব্যাংকের মাধ্যমে ৬৫০ মিলিয়ন ডলার পায়রা পোর্ট অথরিটিকে দেওয়া হবে

রিজার্ভ থেকে সোনালি ব্যাংকের মাধ্যমে  ৬৫০ মিলিয়ন ডলার  পায়রা পোর্ট অথরিটিকে  দেওয়া হবে- যারা ওই অর্থ , পায়রা বন্দর প্রজেক্টে ব্যায় করবে। এরপরে কি ঘটবে সেই সিকুয়েন্স অফ ইভেন্টটি দেখুন  ? খুব ইন্টেরেস্টিং বিষয়টা। মনে করুন, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন ডলার।

/

রিজার্ভের ডলার থেকে কেন সরকার ঋণ করতে পারে না ?

রিজার্ভের ডলার থেকে কেন সরকার ঋণ করতে পারে না ?’ আসেন একটা সিম্পল একজাম্পল দিয়ে বিষয়টা বুঝি। ‘মনে করুন, বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের এই মুহূর্তে ৪০ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ আছে,। সেই চল্লিশ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ থেকে সরকার কোন একটি প্রজেক্ট ১০ বিলিয়ন ডলার ঋণ

পদ্মা ব্রিজের অপারচুনিটি কষ্ট হচ্ছে, ৩ থেকে ৬ ঘন্টা।

যাওয়ার আগে আমার শেষ পয়েন্ট হচ্ছে, বাংলাদেশের তেল তেলে ইকন্মিস্টরা যারা দাবী করছেন,পদ্মা ব্রিজের কারনে দেশের ১%, ২% প্রবৃদ্ধি হবে তারা কখনো অপারচুনিটি কস্টের বিষয়টা পড়েছেন কিনা সেই নিয়ে সন্দেহ রাখতে হবে । অপারচুনিটি কষ্ট হচ্ছে, দা কষ্ট অফ অফ ইউর সেকেন্ড

পদ্মা সেতুর ফলে, ১%, ২% জিডিপি বৃদ্ধি পাবার আশাবাদ ভেজাস্বপ্ন

পদ্মা সেতুর ফলে, ১%, ২% জিডিপি বৃদ্ধি পাবে আশাবাদকে ভেজাস্বপ্ন বলার কারনে- আমার অর্থনীতিবিদ বন্ধুরা বেশ কিছু ভালো রেস্পন্স দিয়েছেন। সেই গুলো একটা প্রত্যুত্তর দাবী রাখে । আমার বন্ধুদের সবার বক্তব্য সামারি করলে, তিনটা মূল আরগুমেন্ট পাই। ১। আমি অপরচুনিটি কষ্ট বিষয়টাই

যে কোন এলাকায় শিল্পায়ন হবে কি হবেনা। সেইটা রাষ্ট্রের কম্পিটিটিভ এডভান্টেজ থিওরির মত এলাকা ভিত্তিক কম্পিটিটিভ এডভান্টেজ থিয়োরি প্রযোজ্য।

শিল্পায়ন আরগুমেন্ট টা খুব ইন্টেরেস্টিং, উনারা বলতে চাচ্ছেন পদ্মা সেতু হলে সেখানে ম্যান, ম্যাটেরিয়াল এবং মেশিনারি এবং উৎপাদিত পন্য ট্রান্সপোর্ট সহজ হবে, ফলে, শিল্পায়ন হবে। এবং এর ভিত্তিতে জিডিপিতে ১% থেকে ২% মানে, প্রায় ৩.৫ লক্ষ কোটি টাকা থেকে ৭ লক্ষ কোটি

এই দেশের ইতিহাসের সব চেয়ে খরুচে প্রকল্পে কেন আমরা আন কম্পিটিভ ভাবে টেন্ডারিং করলাম ?

শেখ হাসিনা যদি তার শাসনামলের কোন সিদ্ধান্তের জন্যে ধন্যবাদ ডিজারভ করেন, তবে সেইটা পদ্মা সেতুর জন্যে এবং সেই ধন্যবাদ তাকে দিতেই হবে। এবং আমি দেবো। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে এখন কেন ? পদ্মা সেতুর তো মাত্র স্পান লাগানো কমপ্লিট হলো, মূল সেতুর কাজ

অর্থনীতি বিদ্যা এবং অর্থনীতিবিদদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা দিনে দিনে কমে আসতেছে

অর্থনীতি বিদ্যা এবং অর্থনীতিবিদদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা দিনে দিনে কমে আসতেছে। বিশেষত করোনা ভাইরাসের ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক বিপর্যয়য়ে তাদের এনালিসিস এবং সমাধান গুলো দেখে আমার শ্রদ্ধা শূন্যের কোঠায় চলে গ্যাছে। অর্থনীতিবিদদের এখন আমি বলি এগ্রেগেটর বা গড়কারি বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিকে এখন ডাকি